Best 25 টি স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী

স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী

Bangla Shayari – স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী নমস্কার, বন্ধুরা আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমরা আজকে স্বামী অভেদানন্দের 25 টি অমৃত বাণী নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। এই অমৃত বাণী কথা গুলি ভালো লাগলে বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে অবশ্যই Share করবেন।


স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী


[1] যে শিক্ষায় শিক্ষার্থীর শরীর, মন ও বুদ্ধির সম্যক পরিস্ফুটন হয় তা-ই আদর্শ শিক্ষা। [2] আত্মা ও পরমাত্মা একই জিনিস। জীবভাবে আত্মা, স্ব-স্বরূপে পরমাত্মা। জীবাত্মা পরমাত্মারই প্রতিবিম্ব। [3] স্বপ্নে সত্য বোধ হওয়ার ন্যায় যতক্ষন ভ্রমবশত জগৎটা সত্য বলে বোধ হয়, তত্ক্ষনই জগৎ ব্রহ্মের শক্তি বা বিকাশ। কিন্তু জ্ঞান হলে যাঁর বিকাশ, তাকেই সত্য বলে স্থির ধারণা। [4] মুক্তি অর্থে আত্মদর্শন, ভুতে ভুতে আত্মদর্শনই মুক্তি। ‘আমি’ কে জানতে পারলেই ঈশ্বরলাভ হল। [5] অবতার পুরুষদের আত্মজ্ঞান থাকে, মন সর্বদাই সমাধিস্থ থাকে। সাধারণ মানুষের আত্মজ্ঞান থাকে না। স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী [6] সকামভাবে আরাধনায় কোনো ত্রুটি হলে দোষ হবে, ভক্তির আরাধনায় কোনো ত্রুটি হলে দোষ হয় না, কারণ ভক্তির সাধনা নিষ্কাম। [7] তুমি দাস তিনি প্রভু। তাঁর সংসার, তুমি প্রতিনিধি মাত্র। তিনি তোমায় দিচ্ছেন, তাই তুমি পাচ্ছ। তাহলে কিসের অভাব? যাঁর সংসার তিনি অভাব ও ভাব দেখবেন, তোমার তাতে মাথা ঘামাবার প্রয়োজন নেই। তুমি তোমার কাজ কর, আত্মমোক্ষার্থে যত্ন কর। [8] ব্রহ্ম নির্গুণ। তিনিই মায়াধীন হয়ে জীব এবং মায়াধীশ হয়ে ঈশ্বর। বন্ধজীব আত্মস্বরূপকে জানলে অজ্ঞানের অভিমান দূর হয় ও আপনাকে অখন্ড সচ্চিদানদ স্বরূপ ব্রহ্মহতে অভিন্ন জ্ঞানে কৃৎকৃতার্থ হয়ে মোক্ষলাভ করে। ব্রহ্মকে জানার নামই ব্রহ্মস্বরূপ হওয়া। [9] একদিন ঠাকুর আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি রে কি বই পড়ছিস? আমি বললাম, ইংরেজি ন্যায়শাস্ত্র। তিনি বললেন – জানো, নিজেকে মারতে গেলে একটা নরুন দিয়ে মারা যায়। কিন্তু অপরকে মারতে গেলে ঢাল, তলোয়ার প্রভৃতি অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন হয়। বই প্রায় ভগবান লাভ হয় না, তবে লোকশিক্ষার জন্য বই পড়া ও বিদ্যার প্রয়োজন আছে। [10] মানুষের জ্ঞানের কখনো ক্ষয় হয় না। জ্ঞান লাভ করে দেহত্যাগ, পরবর্তী জীবনে তার পর হতে আরাম্ভ করতে হবে। দেহনাশের সঙ্গে তার জ্ঞান নাশ হয়ে যায় না। যেমন তুমি ডাক্তারি পরীক্ষায় পাশ করে কলকাতায় থাক, দিল্লিতে যাও, বা আমেরিকায় যাও, তোমার চিকিৎসা বিষয়ে যে জ্ঞান তা সর্বস্থানে সমানই থাকে। সেইরূপ ঈশ্বর বিষয়ে বা আত্মা বিষয়ে তুমি যতদূর জ্ঞান লাভ করলে তা মৃত্যুর পরেও থাকবে দেহের সঙ্গে নষ্ঠ হয়ে যাবে না। [11] ভগবানকে নিবেদন না করে কোনো জিনিস আহার করবে না। ভুলেও কখনো মিথ্যা বলবে না বা পরনিন্দা-পরচর্চা করবে না। পরনিন্দা করার চেয়ে ঘুমিয়ে সময় কাটানো ভালো। [12] স্ত্রীলোক মাত্রই মাতৃজ্ঞান করবে কিন্তু তাদের থেকে যতদূরে সম্ভব তফাৎ ও সাবধান থাকতে চেষ্টা করবে। স্ত্রীলোকের চিত্ররেও আকর্ষণ শক্তি আছে। তাতে মন চঞ্চল হয়ে যায়।

স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী কথা

[13] মন কিছুতেই কুচিন্তা বা কুভাব আসতে দেবে না। যখনই কোনো কুচিন্তা আসবে ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করবে যেন তিনি তোমাকে দয়া করেন। দেখবে তিনি তোমার প্রার্থনা নিশ্চয়ই শুনবেন। স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী [14] তুমি হাতে কাজ করবে এবং মনে মনে ভগবানকে স্মরণ করবে। জানবে, এই সংসার তোমার নয়, ভগবানেরই। তার যা ইচ্ছা তাই হবে। [15] ভগবানকে ডাকার কোন নির্দিষ্ঠ স্তন বা সময় নেই। সর্বাদী স্মরণ-মনন করতে হয়। রামপ্রসাদ বলেছেন – শয়নে প্রণাম জ্ঞান, নিদ্রায় কর মাকে ধ্যান, আহার করি , আহুতি দেই শ্যামা মারে। [16] সংসারে মায়ার আকর্ষণ ভেঙে ফেলতে হবে। সংসারে কোনও সুখ বা শান্তি নেই। সেই কারনে আমরা সংসার ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি। শান্তি ও সুখ এবং ঈশ্বরোপলব্ধি লাভ করা যায় বিবেক ও বৈরাগ্যের দ্বারা। শান্তি, ভক্তি ও বিশ্বাসের জন্য শ্রীঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করা উচিত। স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী [17] ইষ্ঠকে নিবেদন না করে কোনোরূপেই আহার করা উচিত হয়। ইষ্ঠকে নিবেদন না করে আহার করলে উচ্ছিষ্ট খাওয়া হয়। [18] সর্বদা ঠাকুরেকে সম্মুখে রেখে কাজ করবে। তাকে সম্মুখে রেখে যদি কাজ করতে থাকে তাহলে কখনও বিপথে যাবে না বা ভীত হবে না। [19] ঈশ্বর বড়ই কৃপাময়। যার চিত্ত যত শুদ্ধ সে তত শীঘ্র তাঁর কৃপা অনুভব করে। [20] যার ভিতর ভিতর সার আছে সে যদি সাধু মহাপুরুষের সঙ্গ করে তাহলেই তারই চৈতন্য লাভ হয় – অপরের হয় না। স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী [21] রোজ অল্প অল্প করে ঈশ্বর চিন্তা করতে হয়। রোজ একটি করে পয়সা বাক্সে রাখা যায় তাহলে এক বৎসর পর 365 টি পয়সা হয়। তবে অল্প অল্প করে সাধন- ক্রম বাড়াতে চেষ্টা করা উচিত। [22] নিঃস্বার্থ কর্ম করতে যখন চিত্তশুদ্ধ হবে তখন মন স্থির হবে এবং বিবেক বৈরাগ্য আসবে। বুদ্ধি মার্জিত ও নির্মল হলে সব বুঝতে পারবে। সৎসঙ্গ করবে, সাধুসেবা ও সাধুর আশ্রমে বাস করবে এবং সর্বদা ভক্তি ও বিশ্বাসের জন্য প্রার্থনা করবে। [23] সংসারে যতদিন আছ্, সকল মিশিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের সংসার যেন আজ কিছু কাজ করছ, তার দ্বারা তাঁর সেবা করছি এরূপ ভাবনা করবে। প্রত্যহ ভালো-মন্দ সমস্ত কর্মের ফল তার শ্রীপাদপদ্মে অর্পণ করবে। স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী [24] তাঁর কাছে সর্বদা প্রার্থনা করবে। তিনি তোমাকে সকল বিপদ থেকে উদ্ধার করবেন, এতে দৃঢ় বিশ্বাস রেখে কর্তব্যকর্ম করতে থাকবে। একমাত্র তিনিই আপনার। [25] যারা সংসারী বন্ধজীবী তারা নিজ নিজ স্বার্থ, নাম, যশ, পার্থিব সম্পত্তি প্রার্থনা করে। তারা ভগবনের নাম শুনতে চায় না। যাদের শেষ জন্ম তারই ভগবান লাভ করতে চায়। তাদেরকে মায়ামঃ অবাধ সংসারী জীব মনে করবে না।

আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য। আমাদের এই স্বামী অভেদানন্দের অমৃত বাণী গুলি ভালো লাগলে দয়াকরে প্রিয়জনদের সাথে Share করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ। Like Our Facebbok Page


Leave a Comment

Your email address will not be published.

Exit mobile version