Best 25 টি স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

Bangla Shayari – স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী নমস্কার, বন্ধুরা আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমরা আজকে স্বামী অদ্ভুতানন্দের 25 টি অমৃত বাণী নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। এই অমৃত বাণী কথা গুলি ভালো লাগলে বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে অবশ্যই Share করবেন।


স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী


[1] এ সংসারে ভগবান ঐশর্য দিয়ে জীবকে পরীক্ষা করে থাকেন। যেখানে দেখবে যে ভগবান টাকাও দিয়েছেন আবার তার দানেরও ইচ্ছা দিয়েছেন সেখানে জানবে যে তাঁর দয়া আছে।

[2] মনে যে ভাব উঠবে সেই ভাবের বিপরীত ভাবকে মনে মনে চিন্তা করবে। ঠিক ঠিক বিচার করতে থাকলে মনের এমনই অবস্থা হয় যে, ক্রোধের সময় ক্ষমাকে, লোভের সময় ভগবানকে, হিংসার সময় অহিংসা কে মনে পরে।

[3] ভোগই দুঃখের এবং ত্যাগেই সুখের হেতু। ভোগের পাতকুয়া থেকে মনকে তুলতে হলে ত্যাগের দড়ি ধরে ওঠাতে হবে।

[4] মায়া একদিকে যেমন জীবকে ভোগাচ্ছে, আরেক দিকে তেমনি চৈতন্য এনে দিচ্ছে। মায়া সুখ-দুঃখ দু-ই রেখেছে, পাপও রেখেছে, আর পুন্যও রেখেছে। জীব যখন মায়ার ব্যাপার বুঝতে পারবে, তখন মায়া আর জীবকে বাধা দিতে পারবে না।

[5] পবিত্র হও, পবিত্র না হয়ে ভগবানকে বুঝতে পারবেনা। সৎ না হলে সৎস্বরূপ কে জানতে পারবে না। স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

[6] সংসারই বল, আর কর্মই বল, শ্রদ্ধা ও প্রীতি না হলে কিছুই হয় না। উপরোধে কি কোনো কাজ হয়? প্রীতি থাকলে আর ছাড়তে ইচ্ছা হয় না, ক্রমশ ভগবানে মন বসে যায়। প্রীতিই হল প্রধান।

[7] সাধুর ত্যাগেই শোভা, সংসারীর টাকাই শোভা। সাধু আর গৃহী কত তফাৎ। গৃহীরা ম্যান ইজ্জ্বত নিয়ে পরে আছে, সাধু মান-ইজ্জ্বত ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে।

[8] মনের মতো পাজি জিনিস আর নেই। কত রকম সংশয়, অবিশ্বাস এনে দেয়। ভগবানের নাম করতে করতে মান-যশের আকাঙ্খা চলে যায় -চিত্ত শুদ্ধ হয়।

[9] ক্ষিদে হলে সব জিনিসই মিষ্টি লাগে – তখন যা জুটল, সব ভরপেট খেলে। তেমনি যার ভগবানের অনুরাগ হয়েছে, সে অত মত-পথ বিচার করে না।

[10] যে ঠিক ঠিক সাধু হবে, তার কোনো স্বার্থ থাকবে না। ভগবানের প্রতি কি করে ভক্তি-শ্রদ্ধা হবে, এইটুকু মাত্র স্বার্থ তার মধ্যে থাকে। স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

[11] এই জগতে সুখ নেই, সব মিথ্যা – একমাত্র ভগবানই সার। এসব কথা কি সকলে বুঝতে পারে? ভগবানের বিশেষ দয়া না হলে এ সকল কথা ধরা যায় না।

[12] যার মা বল এ – ভগবান লাভ কর, জগৎ মিথ্যা সে মা মুক্ত। যে বাপ্-মা ভাগ্যবান, তারা ছেলেকে স্পষ্ট বলে যে, বিয়ে করলেই দুঃখ – সংসারে কত দুঃখ দেখতেই পাচ্ছ – তুমি বুঝে বিয়ে কর। সেই বাপ্-মা মুক্ত।

স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী কথা

[13] যে পরকাল মানে না, সে আবার ধর্ম করবে কি? সে তো নাস্তিক, অবিশ্বাসী হবেই। পরকাল আছে বলেই তো দান-ধ্যান করবে। যে পরকাল মানে, সে তো ধার্মিক।

[14] ধন, মান, ঐশ্চর্যের মধ্যে থেকে ভগবানের উপর মন রাখা কি সহজ কথা? মায়ার বন্ধন কাটতে না পারলে, ভগবানের কৃপালাভ হয় না। সাধন-ভজন ও গুরুকৃপা ব্যতীত এই ময় কাটাতে পারা যায় না।

[15] আপন দুঃখ যেমন বোঝ তেমন পরের দুঃখ বুঝতে হয়। কোথায় দুঃখীর দুঃখ দূর করতে চেষ্টা করবে, না তার দোষ ধরতেই ব্যস্ত। স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

[16] এ সংসারে লেখাপড়া শিখে টাকা রোজকার করতে না পারলে লোকে তাকে মূর্খ বলে। আর মহামূর্খ যদি টাকা রোজকার করে, তাকে খুব বুদ্ধিমান বলে। বিদ্যার আদর নেই।

[17] যাকে ভয় করতে হয়, তাকে আমরা ভয় করি না। আর যাকে ভয় করতে হয় না তাকে ভয় করি। যে জানে ভগবান আছেন, সে কি অন্যায় করতে পারে?

[18] অন্ন কষ্টের মতো আর কষ্ট নেই। লোকে পেট ভরেই খেতে পায় না, আবার ধর্ম করবে কী?

[19] সত্যকে ভালোবসার চেষ্টা কর, সত্য উপলব্ধি করবার চেষ্টা কর। ভগবান সত্যস্বরূপ – সেখানে মিথ্যা হিংসা যেতে পারে না। স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী

[20] সৎকাজ যতই হয়, ততই সুখের বিষয়। সৎকাজ করতে প্রথমে কষ্ট হয়, ভবিষ্যতে আরাম হয়। অসৎকাজ করত প্রথমে আনন্দ হয়, ভবিষ্যতে দুঃখ হয়।

[21] স্বামী বিবেকানন্দ বলছিল, “আগে বুঝি, তারপর বুঝিয়ে দেব। নিজে না বুঝলে পরকে বোঝানো যায় না।” কিন্তু এখন যা দেখছি -এরা যা সব হয়েছে, নিজে না বুঝেই সবাইকে বুঝাতে যায়। কতকগুলো বই পরে ভাবে সব বুঝে ফেলেছে। সাধন নেই।

[22] সকলেই হুকুম করতে চায়, কেউই হুকুম মানতে চায় না। স্বামীজী বলত, “সর্বদা দাস হয়ে শিক্ষা গ্রহণ কর, তবেই তুমি প্রভু হতে পারবে। “

[23] ছেলেকে মানুষ করতে হলে বাবা-মেক আগে মানুষ হতে হবে। বাপ্-মায়ের দোষেই ছেলে খারাপ হয়। তারা কি জানে? যেমন শিক্ষা পাবে, তেমনই হবে। সেজন্য বাপ্-মাকে খুব সাবধানে চলাফেরা, কথাবার্তা কইতে হয়।

[24] পরের উপকার করাই হচ্ছে ধর্ম। যে তা করে সে ধার্মিক। আর সেই সৎ -যে উপকার পেয়ে ভুলে যায় না। পরস্পরকে সাহায্য করা, দুঃখ দূর করতে চেষ্টা করা – এ হচ্ছে মানুষ ধর্ম। যে এ নিয়ম মানে না , সে অধম পশু।

[25] মন ক্রমাগত ছুটছে, সদাই চঞ্চল। মন যত বিষয়ের দিকে দৌড়ে যাবে, তত তাঁকে ধরে এনে ভগবানের দিকে লাগাতে হবে। এরকম অভ্যাস করতে করতে মন স্থির হবে। মন স্থির হলেই সৎস্বরূপ ভগবানের প্রকাশ হবে।

আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য। আমাদের এই স্বামী অদ্ভুতানন্দের অমৃত বাণী গুলি ভালো লাগলে দয়াকরে প্রিয়জনদের সাথে Share করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ। Like Our Facebbok Page

Leave a Comment

Your email address will not be published.