Best 25 টি স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

Bangla Shayari – স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী নমস্কার, বন্ধুরা আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমরা আজকে স্বামী সুবোধানন্দের 25 টি অমৃত বাণী নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। এই অমৃত বাণী কথা গুলি ভালো লাগলে বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে অবশ্যই Share করবেন।


স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী


[1] সংসারে কিছুমাত্র ভয়পাবে না। এ সংসারে সুখদুঃখ জড়িত পরীক্ষার স্থল। অশান্তি মনে স্থান দেবে না। হৃদয়ে তিনি আছেন, বুক খালি হবে কেন? খুব বিশ্বাস্বের সঙ্গে তাকে স্মরণ করবে।

[2] মনে রেখ, ঠাকুরের সংসার, তাঁর কাজ – তিনি যেমন চালান, তেমনি চলবে। যখন যে অবস্থায় তিনি রাখুন না কেন তাঁকে ভুলো না।

[3] খুব বিশ্বাস রাখ – তিনি আমার আমি তার। তাকে খুব আপনার জানবে -শত বিপদ-আপদ কিছুই করতে পারবেনা।

[4] ভগবানের রাস্তায় যে চলে, শাস্তি আর নিকটস্থ হয় ও অশান্তি দূর হয়। স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

[5] যেমন সূর্যের আলোতে সূর্য দেখা জয়, সেইরকম তাঁর কৃপাতেই তাকে দেখা যায়।

[6] তাঁর কৃপাতেই তাঁকে জানবার ইচ্ছা ও জ্ঞান, ভক্তি, প্রেম, বিশ্বাস -এইসব আসে।

[7] লোকে ভগবানকে ডাকে যখন বিপদে পড়ে, যখন ছেলের মরণাপন্ন অসুখ হয়। তখন হয়তো মা কালীকে পাঁঠা মানত করে। যেই সেরে যায়, তখন আর মনে থাকে না। যদি মনে পরে, হয়তো বলবে, ‘মাঠে কত পাঁঠা চরে খাচ্ছে – না গে একটা।’

[8] একটি লোক মা কালীকে ডাকছে আর বলছে, যদি কিছু পেতুম অর্ধেক তোকে দিতুম আর অর্ধেক আমার থাকত। একটা টাকাও যদি পেতুম তবে আট না তোকে দিতুম। যেতে যেতে হটাৎ একটা আধুলি পেল। পেয়েই বলছে, তা তোমার আট আনা তুমি আগেই নিয়ে নিয়েছ মা? বেশ হয়েছে। এরকমই তো লোকের ভক্তি বিশ্বাস – কি হবে বলুন?

[9] প্রত্যকের মধ্যেই বিবেক বা সদসৎ বিচার বুদ্ধি আছে। যদি সৎকে ধরা যায়, অসৎকে পরিত্যাগ করা যায় তবেই শাস্তি পাওয়া যায়। স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

[10] সকল সময় মন ঠিক থাকে না। এর উপায় সদসৎ বিচার দ্বারা মনে শান্তি আনতে হয়।

[11] তাঁর নামে অমঙ্গল মঙ্গলে পরিণত হয়, অশান্তি থেকে শান্তি আসে। শুধু বিশ্বাস চাই। তারপর ভালো মন্দ তিনি যেমন চালাবেন তাঁর হাত।

[12] কোনোরকম কাজকর্ম করতে গেলে লোকে নানারকম কষ্ট-যন্ত্রনা পায়। সবরকম দুঃখ কষ্ট হয় করে যে লেগে থাকতে পারে সেই কাজের মানুষ হয়ে যায়।

স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী কথা

[13] চাপে কিছুমাত্র ভয় পাবে না। জন্ম, মৃত্যু, বিবাহ কখন কি হয় ঠিক নেই। বিশ্বাসী ভক্তের হৃদয় তার কি কোনোরকমে মনে টলে?

[14] একমাত্র ঠাকুরের চিন্তা করলেই মন শুদ্ধ, পবিত্র ও স্থির হয়। কেউ আর তাকে মন দিয়ে ডাকছে না, কিরূপে মন স্থির হবে।

[15] যে যাকে ভালোবাসো সে যদি দেখা নাও দেয়, তবু তাকে ভালোবাসতে ছাড়ে না। তাঁকে ডেকে যাও। তিনি দেখা নি দিলেও ডাকতে ছাড়বে না। তবে ষোল আনা মন দিয়ে ডাকলে তিনি আর থাকতে পারেন না, দেখা দেবেনই দেবেন।

[16] কারুর কাছে কিছু চেও না, লোকের কাছে চাইতে গেলেই ছোট হতে হয় – ওতে মনের স্বাধীনতা নষ্ট হয়। স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

[17] তারই শরণাগত হয়ে থাকতে হয়, প্রার্থনা করতে হয়, “ঠাকুর আমি যদি তোমাকে থাকি, তুমি আমায় ভুলো না।”

[18] দিনরাত সৎ কথা ও সৎ চিন্তা নিয়ে থাকবে। তবে কাজকর্ম সেরে খান থাকবে তখন ভুলবে না। ভালো বই পর্বে যাতে ভগবানকে স্মরণ হয়। ঠাকুরের ম্যান যখন যে অবস্থায় নাও না কেন কাজ হবেই। যেমন চাষীরা বীজ বপন করে-সোজা হোক বা উল্টা হোক , বীজের অঙ্কুর হয়।

[19] ধ্যান-জপ না করলে যত উচ্চ পুরুষের নিকট হতেই দীক্ষাদি লও না কেন তা কখনোও পরিস্ফুটিত হয় না।

[20] সৎ ও অসৎ বুদ্ধি দুয়েতেই লড়াই চলতে থাকে। যখন অসৎ বুদ্ধি প্রবল হয় তখনই লোকে অন্যায় করে। সৎ বুদ্ধি যে থাকে তার প্রমান, খারাপ কাজগুলো লোকে গোপন করে, কারন ‘ভালো নয়’ জ্ঞান রয়েছে।

[21] শুধু যদি ভগবানের দিকে মন থাকে তবে সমস্ত মায়া মোহ মন থেকে দূর হয়ে যায়। মন তোমার, বিবেক বুদ্ধি তোমার, বিচার করবে।

[22] যখন যে অবস্থায় থাকবে ঠাকুরের নাম করবে। এমন কি পথে চলতে চলতেও তাঁর নাম নেবে। নামের এক মহাত্মা আছে – তাতেই কাজ হবে। মানুষ ভগবানের দর্শন পায়, যদি স্বর্থভাগকরে, তাকে চিন্তা করেও ডাকে। স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী

[23] বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে যখন বটফল-অশ্বফল পাকে, সেই সময় দেখতে পাওয়না , পাখিদের বাচ্চা হয়। ধারি পাখিটা ঠোঁটে করে সেই ফল নিয়ে গিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ায়।

[24] গাছে পেয়ারা থাকলে বলতেন, কলসিতে রেখে দিও , নরম হলে আমাকে কেটে দিও। বলতেন দেখ বাড়িতে সাধু এলে শুধু হাতে ফিরিও না, কিছু না থাকলে একটা হরতকি দিও।

[25] চঞ্চলতা মনের স্বাভাবিক অবস্থা। খুব বেশি করে ঠাকুরের নাম করবে। নাম জপ করতে করতে মন ক্রমশ স্থির হবে। জপ যত বেশি করবে ততই ভালো।

আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য। আমাদের এই স্বামী সুবোধানন্দের অমৃত বাণী গুলি ভালো লাগলে দয়াকরে প্রিয়জনদের সাথে Share করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ। Like Our Facebbok Page

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *